২১শে আগস্ট, ২০১৯ ইং ।। বুধবার ।। ৬ই ভাদ্র, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ ।। নিবন্ধনের জন্য তথ্য মন্ত্রণালয় আবেদনকৃত অনলাইন পত্রিকা www.jhalokathisomoy.com

সাম্প্রদায়িক, মৌলবাদী ও মুক্তিযুদ্ধবিরোধী ছাড়া যে কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান এ সাইটের তথ্য, ছবি বা ভিডিও প্রয়োজনে ব্যবহার করতে পারবেন-সম্পাদক

বাশের সাঁকোতে ৭টি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের ভরসা

ঝালকাঠির রাজাপুরে বাশের সাঁকোই ৭ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ ওই এলাকার জনসাধারনের একমাত্র ভরসা।উপজেলার মঠবাড়ি ইউনিয়নের বাইতুলহুদা জামে মসজিদ সংলগ্ন পূর্ব-পশ্চিমবাদুরতলা খালের ওপর বাশেঁর সাঁকো দিয়ে চলাচল করছে ৭টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ ওই এলাকার সাধারণ মানুষ।

প্রতিদিন দু’পাড়ের স্কুল শিক্ষার্থী, শিক্ষকসহ এলাকার জনগনকে এই সাঁকো পাড় হয়েই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও প্রয়োজনীয় কাজে যেতে হয়।

বর্ষা আসলেই কোমলমতি শিশু শিক্ষার্থীদের স্কুল যাওয়া অনেক সময় বন্ধ হয়ে যায়। বর্ষা মৌসুমে এ দুর্ভোগ চরমে পৌঁছায়। সাঁকোটির স্থলে ব্রিজ নির্মাণ করা হলে শিক্ষার্থীসহ দুই সহস্রাধীক লোক দুর্ভোগ  ও ঝুঁকির হাত থেকে রক্ষা পাবে বলে সবার অভিমত।

সরেজমিনে দেখা গেছে, মঠবাড়ি ইউনিয়নের বিশখালির ভাঙন কবলিত এলাকা হওয়ায় ওই বাড়িঘর, জায়গা-জমিসহ রাস্তাঘাট নদী গর্ভে বিলীন হওয়ায় এখন যোগাযোগের জন্য এলাকার একমাত্র বাশেঁর সাঁকোটিই সকলের ভরসা।

এ সাঁকো দিয়ে প্রতিদিন উপজেলার পশ্চিম বাদুরতলা এমএস আলম মাধ্যমিক বিদ্যালয়, পশ্চিম বাদুরতলা আফাজ উদ্দিন বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ১১৫ নং পশ্চিম বাদুরতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ৬৫ নং পূর্ব বাদুরতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, আব্দুল মালেক কলেজ, ৬৪ নং চুনপুরী সরকারি বিদ্যালয় ও উত্তর উত্তমপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ এলাকার সাধারন মানুষ ঝুকি নিয়ে চলাচল করছে। এছাড়াও সময় বাঁচাতে বড়ইয়া ইউনিয়নের লোকজন উপজেলা ও জেলা শহরে যেতে এ সাঁকো দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে পাড় হচ্ছে।

স্থানীয় আঃ করিম হাওলাদার বলেন, নির্বাচনের সময় প্রার্থীরা ব্রীজ করার প্রতিশ্রুতি দিলেও নির্বাচন শেষে আর ওই প্রতিশ্রুতি আর মনে থাকেনা।

শিক্ষার্থী বিথি আক্তার, তুলি আক্তার, মোঃ শাকিল, তিথি, মবিন ও জুবায়েরসহ আরও অনেকে বলে, আমরা বাড়ি থেকে স্কুলে যাওয়ার সময় সাঁকো দিয়ে পড়ে গিয়ে জামা-কাপড়, বই-খাতা ভিজিয়ে আবার বাড়িতে ফিরে যাই।

স্থানীয়  মোঃ আনোয়ার হোসেন বলেন, বর্ষাকালে এই সাঁকো পাড় হতে গিয়ে সাঁকো দিয়ে পড়ে গিয়ে গুরুতর আহত হয়েছি। এতে আমার পাজড়ের হাড় ভেঙ্গে গেছে। দীর্ঘদিন চিকিৎসা করিয়েও পুরোপুরি সুস্থ হতে পারিনি।

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও এলাকার জনসাধারণ অতিশিগ্রই এ স্থানে একটি ব্রীজ নির্মাণের দাবী জানিয়েছে।

এ ব্যপারে ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ মোস্তফা কামাল সিকদারের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ওই স্থানে ব্রীজ করার জন্য আবেদন করেছি।

এ ব্যপারে উপজেলা চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ মোঃ মনিরউজ্জামান বলেন, সরেজমিনে দেখে যদি আমাদের উপজেলার অর্থায়নে সম্ভব হয় তবে ব্রীজের কাজ দ্রুত শুরু করা হবে।  আমাদের অর্থায়নে না হলে জেলা হয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে প্রস্তাব পাঠাবো।

(ডেস্ক/বাস/ঝাস)


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved © 2019
Developed BY Icone